শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
দেশব্যাপী লোডশেডিং চলছে। ঢাকা ও বরিশাল ছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় সূচিভিত্তিক লোডশেডিংয়ে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রংপুর বিভাগের আট জেলায়। আবার দেশজুড়ে দাবদাহ চলছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে সামান্য বৃষ্টি হলেও বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি, ফলে গরম অনুভূত হচ্ছে। সহসা লোডশেডিং থেকে মুক্তি মেলার সম্ভাবনা নেই। ভারী বৃষ্টিপাতের খবরও নেই। ফলে লোডশেডিং ও গরমে দিন পার করতে হবে জনগণকে।
সারা দেশে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি। ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে রংপুরে তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র তাপমাত্রার পাশাপাশি এসব এলাকায় আর্দ্রতা বেশি ছিল। ফলে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি ছিল।
লোডশেডিংয়ের শীর্ষে উত্তরের আট জেলা: গতকাল বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের আট জেলা রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারী তীব্র লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছিল। এসব জেলায় স্থানবিশেষে ৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
দেশ রূপান্তরের ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ফিরোজ আমিন সরকার জানিয়েছেন, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের গ্রাহকরা। এক ঘণ্টার স্থলে লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। রাতে ভোগান্তি কয়েক গুণ বেশি। গ্রাহকদের অভিযোগ, মানা হচ্ছে না শিডিউল, লোডশেডিংয়ের সময়সূচি জানাতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা। কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদার অর্ধেক, কখনো তারও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের তথ্যও আগাম জানানো সম্ভব হচ্ছে না। ভ্যাপসা গরমে মানুষকে অর্ধেক রাত নির্ভর করতে হয় হাতপাখার ওপর। সন্ধ্যার পর পুরো শহরে ভুতুড়ে অন্ধকার নেমে আসে। বিদ্যুতের অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যেও ক্ষতি হচ্ছে। লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীদের।